• বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৭, ৯ ভাদ্র ১৪২৪
  • ||
  • আর্কাইভ

করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে যা বললেন অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ:  ১৩ আগস্ট ২০১৭, ০০:৫৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশের করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমাজের কল্যাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। বেসরকারি ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের উদ্যোগে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

শনিবার রাজধানীর মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষাবৃত্তি দেয় ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে প্রতীকী হিসেবে কয়েকজনের হাতে বৃত্তির চিঠি তুলে দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদ। ডাচ্-বাংলা ব্যাংক মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মোট চার হাজার ৩২ জন গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীকে এবার বৃত্তি দিচ্ছে। ব্যাংকটির সামাজিক কল্যাণ কর্মসূচির (সিএসআর) অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে নিহত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের স্মরণে এক মিনিটি নীরবতা পালন করা হয়। বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এ উদ্যোগ চমৎকার। ব্যাংকটি একটি আদর্শ স্থাপন করেছে। তারা  লভ্যাংশ থেকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ জনহিতকর কাজে ব্যবহার করছে। এ ব্যাংকের শেয়ার হোল্ডার ও নেদারল্যান্ডস সরকার এসব কাজে অর্থ ব্যবহার করে কৃতিত্ব দেখিয়েছে।

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, দেশের দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের বৃত্তি প্রকল্প আর্থিক খাতের অনন্য দৃষ্টান্ত।

তিনি আশা করেন, দেশের অন্যান্য করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো সমাজের কল্যাণে এ ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

অর্থমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সঠিক পথে যাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের সহায়তা করছে ব্যাংক। তাদের প্রতি যে সম্মান দেখানো হয়েছে, তা ধরে রাখতে হবে। উচ্চাশা রেখে এগিয়ে যেতে হবে যাতে তাদের স্বপ্ন সত্যি হয়। যে আসনেই অবস্থান হোক, শ্রেষ্ঠ কাজ দেখাতে হবে।

সব শিক্ষার্থীকে নিজ অবস্থান থেকে ভালো করার পরামর্শ দেন তিনি। তার প্রত্যাশা- বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা প্রকৃত শিক্ষায় আলোকিত হয়ে দেশ গঠনে নিজেদের উৎসর্গ করবে।

প্রসঙ্গত, সিএসআর কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ে অধ্যয়নরত মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি দিয়ে আসছে। এ পর্যন্ত ৪৭ হাজার ৬৬০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিয়েছে ব্যাংকটি। বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষা স্তরে ১৮ হাজার ১৬৮ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে।