• বুধবার, ২৩ আগস্ট ২০১৭, ৮ ভাদ্র ১৪২৪
  • ||
  • আর্কাইভ

সাত খুনের আপিলের রায় আজ

প্রকাশ:  ১৩ আগস্ট ২০১৭, ০৩:৩৯ | আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০১৭, ০৪:০৪
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সাত খুনের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর হাইকোর্টের রায় ঘোষণা আজ। বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে মামলার শুনানি শেষে গত ২৬ জুলাই রায় ঘোষণার এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট এসএম শাহজাহান ও অ্যাডভোকেট মো. আহসান উল্লাহ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সরোয়ার কাজল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল বিচারিক আদালতের রায় বহাল রাখার আরজি পেশ করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এ হত্যাকাণ্ড ছিল পূর্বপরিকল্পিত। তাই মামলার রায়ের মধ্য দিয়ে যেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা ফিরে আসে এবং বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।

সাত খুনের মামলায় গত ১৬ জানুয়ারি সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেন ও র্যাবের বরখাস্তকৃত তিন কর্মকর্তাসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন। মামলার ৩৫ আসামির মধ্যে বাকি নয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে নূর হোসেন, তারেক সাঈদ, আরিফ হোসেন, মাসুদ রানা, এমদাদুল হক (হাবিলদার), বেলাল হোসেন, আবু তৈয়ব, শিহাব উদ্দিন, এসআই সুনেন্দু বালা, পূর্ণেন্দু বালা, আসাদুজ্জামান নূর, মূর্তজা জামান চার্চিল, আলী মোহাম্মদ, মিজানুর রহমান বিপু, আবুল বাশার ও রহম আলীসহ ২০ জন হাইকোর্টে নিয়মিত আপিল ও জেল আপিল করেন। এছাড়া নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য নথিও ডেথ রেফারেন্স আকারে হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা এ মামলার শুনানির জন্য গত ১৭ মে বেঞ্চ নির্ধারণ করে দিলে ২২ মে শুনানি শুরু হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহূত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজন। ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে একে একে ছয়টি মরদেহ ভেসে ওঠে। পরদিন মেলে আরো একটি মরদেহ। ঘটনার একদিন পর কাউন্সিলর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বাদী হয়ে নূর হোসেনসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন।