• বুধবার, ২৩ আগস্ট ২০১৭, ৮ ভাদ্র ১৪২৪
  • ||
  • আর্কাইভ

খেলা হবে এবং আমরা জিতব: শামীম ওসমান

প্রকাশ:  ১২ আগস্ট ২০১৭, ২০:০০ | আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০১৭, ০৪:০৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, দেশে ও নারায়ণগঞ্জে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। বিচার বিভাগ থেকেও ষড়যন্ত্র হচ্ছে। যারা খেলছেন খেলতে থাকেন। খেলা হবে এবং আমরা জিতব। কারণ আমরা খেলোয়াড়। সেই খেলা সুপ্রিম কোর্ট হোক, বিএনপি হোক, খালেদা জিয়া কিংবা তারেক হোক, জামায়াত হোক কোনো সমস্যা না।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় শোক র‍্যালির আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তার নেতৃত্বে কালো পতাকা সম্বলিত একটি বিশাল র‍্যালি  শহরের বঙ্গবন্ধু সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

শামীম ওসমান বলেন, শেখ হাসিনা, শেখ হাসিনাই। বাংলাদেশ পাকিস্তান না। শেখ হাসিনা নওয়াজ শরীফও না। বাংলাদেশের মানুষ পাকিস্তানে বসবাস করে না। যদি কেউ মনে করে, পাকিস্তানের আদালত দিয়ে পাকিস্তানে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে তা বাংলাদেশেও একই পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হবে- তাহলে তারা বোকার রাজ্যে বসবাস করছেন। 

তিনি বলেন, দেশে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। সমস্ত শকুন একদিকে হয়েছে মরণ আঘাত হানার জন্য। আমার নেত্রী শেখ হাসিনার উপর আল্লহর রহমাত আছে বলে আমি বিশ্বাস করি।

শামীম ওসমান আরও বলেন, বাংলাদেশে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। ষড়যন্ত্র শুরু না হলে রূপগঞ্জে এতো আস্ত্র পাওয়া যায় না। এ অস্ত্র সরকারকে সাহায্য করার জন্য আনা হয় নাই। সেখানে শতাধিক হেভি মেশিনগান পাওয়া গেছে। রকেট লাঞ্চার পাওয়া গেছে। গ্রেনেড পাওয়া গেছে। এসএমজি পাওয়া গেছে, এলএমজি পাওয়া গেছে। নারায়ণগঞ্জের পুলিশই সেটা উদ্ধার করেছে।

রূপগঞ্জের অস্ত্রগুলো কার জন্য আনা হয়েছে- এমন প্রশ্ন করে শামীম ওসমান বলেন, এই স্থান দিয়ে দেশের প্লেন উড়ে। এখান দিয়েই আমার নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমানে উড়ে যান। এই জায়গা দিয়ে অনেক নিচু দিয়ে বিমান উড়ে যায়। ওদের টার্গেট একটাই। আর সেটা হচ্ছে আমার নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করা। 

তিনি বলেন, সমস্ত শক্তি, সমস্ত ষড়যন্ত্রকারী এক হয়েছে। তাদের এখন একটাই উদ্দেশ্য। তারা শেখ হাসিনাকে ধ্বংস করতে চায়। 

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় শ্রমিক লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন মাস্টার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো. শহীদ বাদল, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতা চন্দন শীল, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার সামিউল্লাহ মিলন, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আহসান হাবিব, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রশিদ, মহিলা লীগের সভাপতি ইসরাত জাহান খাঁন স্মৃতি, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাজনু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হাসান নিপু প্রমুখ।